মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

জেলা পরিষদের কার্যক্রম

অবস্থান

নাগরিক সেবা

অভ্যন্তরীন সেবা

বহিঃসেবা

1)      জনস্বার্থে প্রতি বছর বছরের শুরুতেই বিভিন্ন প্রকার উন্নয়নমূলক কাজ  বাস্তবায়ন ব্যয়, সংস্থাপন ব্যয় ও অন্যান্য যাবতীয় কার্যক্রমের ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয় এবং বাস্তবায়ন ব্যয় বাজেটের আওতাভূক্ত করে জেলা পরিষদের উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেয়া হয়। 

2)      মাদারীপুর জেলা পরিষদের আওতায় রাজস্ব ও এডিপির বরাদ্দকৃত অর্থে বিভিন্ন প্রকার উন্নমূলক কাজের আবেদনসমূহ যাচাই-বাছাইপূর্বক মাদারীপুর জেলার মাননীয় সংসদ সদস্য- মাননীয় মন্ত্রি, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, মাননীয় হুইপ, সংশ্লিষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহিত আলোচনা/পরামর্শক্রমে তালিকা চুড়ান্ত করা হয় এবং জেলা পরিষদের উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভার সিদ্ধান্ত গ্রহণপূর্বক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে বিধিমতে বাস্তবায়ন কাজ সম্পন্ন করা হয় ।

 

 

 

 

 

 

 

বিভিন্ন বিষয়ে দরখাস্ত গ্রহণ করা হয় ।

অত্র জেলার দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে মাদারীপুর জেলা পরিষদ- জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে জনসাধারণের সুবিধার্থে রাস্তাঘাট,  ব্রীজ, কালভার্ট, যাত্রী ছাউনী, ঘাটলা, টল ঘর নির্মানসহ সকল প্রকার উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা ।

জেলা পরিষদে নিজস্ব পাঠাগার রয়েছে । বিভিন্ন ব্যক্তি বই এন্টি করে পাঠ করে

শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার   উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা ।

বিভিন্ন প্রকার উন্নয়নমূলক  প্রকল্পসমূহের সংখ্যা অগ্রগতি বাস্তবায়নের কার্যক্রম ইত্যাদির তথ্য দেয়া হয় ।

পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষার্থে বনায়ন কর্মসূচী

বাস্তবানয়ন

জেলা পরিষদ অফিস কার্যালয়ে অভ্যন্তরে একটি হলরুম রয়েছে । বিভিন্ন সেমিনার বা প্রশিক্ষনের জন্য ভাড়া দেয়া হয় ।

গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান করা

একটি মসজিদ আছে ।

সামাজিক/শিক্ষা/ধর্মীয়/ক্রীড়া/ সাংস্কৃতিক/ ধর্মীয় কর্মসূচী/ জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা ।

-

দরিদ্র নিরসন ও নারীর আত্ম-কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা । সেলাই মেশিন ও কম্পিউটার বিতরণসহ বিভিন্ন প্রকার আর্থিক সহায়তা করা।

-

অসহায় পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন প্রকার আর্থিক সহয়াতা প্রদান করা হয়।

-

সর্বসাধারণের সুপেয় পানি পান করার নিমিত্ত স্কুল,মাদ্রাসা, হাট-বাজারে, বিভিন্ন লোকালয়ে গভীর নলকুপ স্থাপন করা হয়।

-

স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটেশনের জন্য হাট-বাজারে এবং বিভিন্ন লোকালয় যাত্রী-ছাউনীর পার্শ্বে গণটয়লেট ও লেট্রিন নির্মান করা ।

-

প্রতিবন্ধিদের বিভিন্ন প্রকার সহায়তা প্রদান করা।

-

বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ ও অসহায় দুঃস্থ্য পরিবারের মাঝে শিত বস্ত্র বিতরণ করা ।

-

পাঠাগার স্থাপন, ভাষা শহীদ ও বীরশ্রেষ্ঠ গ্রন্থাগার ও জাদুঘর সংরক্ষনে সহায়তা প্রদান।

-

বিভিন্ন প্রকার কুঠির শিল্পের মাধ্যমে আয় বর্ধকমূলক কজে - মাশরুম চাষ, মৌ-চাষ ও হস্তশিপ্ল বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান করা ।

 

 

 

মাদারীপুর জেলা পরিষদের মালিকানাধীন মাওয়া-কাওড়াকান্দি আন্তঃজেলা খেয়াঘাট/ ফেরীঘাট/লঞ্চঘাট (যাহার বর্তমান অবস্থান শিবচর উপজেলাধীন মাদবরেরচর ইউনিয়নস্ত দক্ষিণ চরজানাজাত মৌজার ঢাকা-মাওয়া- খুলনা মহাসড়কের উপর) রয়েছে । 

উক্ত ঘাটে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবির্ধাথে রক্ষণাবেক্ষণসহ প্রতি বছর  ইজারা প্রদান করা হয় । ঘাট ইজারা দেয়ার ফলে টোল রেট আদায়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বেকার ব্যক্তিদের আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়

সদর উপজেলার চরমুগরিয়া বন্দরে অবস্থানরত ২০০০ বানরকুলকে সপ্তাহে দুইদিন খাবার সরবরাহ করা হয় ।

 মাদারীপুর জেলা পরিষদের অধিনে উপজেলা ও জেলা শহরে ৬টি ডাকবাংলো, ২ রেস্ট হাউজ ও একটি পরিদর্শন ডাকবাংলো রয়েছে ।

প্রতিটি ডাক-বাংলো ও রেস্ট হাউজের জন্য কেয়ারটেকার নিয়োগ দেয়া হয়েছে । ডাকবাংলো/রেস্ট হাউজে অবস্থানরত অতিথিদের নানবিধ সুবিধা দেয়া হয় ।  

 

 

মাদারীপুর জেলা পরিষদের আওতায় বিভিন্ন উপজেলায় ৪০টি পুকুর রয়েছে । উক্ত পুকুর সমূহ জনসাধারনের ব্যবহারের জন্য তিন বছর অন্তর অন্তর মৎস্য চাষের নিমিত্তে দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেয়া হয়।

ইজারা গ্রহীতার জনসেবার পাশাপাশি  আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়

 

মাদারীপুর জেলা পরিষদের অধিনে ১০টি যাত্রী ছাউনী রয়েছে ।  প্রতিটি যাত্রী ছাউনীর রক্ষণাবেক্ষন করার জন্য  দোকান নির্মান করা হয়েছে

সর্বসাধারনের সুবিধার পাশাপাশি যাত্রী ছাউনীর দোকান বেকার ব্যক্তির নিকট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইহার ফলে বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে ।

 

মাদারীপুর জেলা পরিষদের মালিকানাধীন  ২ টি মার্কেট রয়েছে । সদর ডাকবাংলো সংলগ্ন সুপার মার্কেটে ২৮টি এবং কালকিনি ডাকবাংলো সংলগ্ন সুপার মার্কেটে  ১১টি দোকান রয়েছে ।

 

জেলা পরিষদের মার্কেটের দোকান বেকার ব্যক্তিদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে । ইহার ফলে বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে ।